জাতীয়শীর্ষ সংবাদ

স্বাস্থ্যবিধি মেনে নির্দিষ্ট স্থানে পশুর হাট, মাস্ক বাধ্যতামূলক

  • 17
    Shares

করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ পরিস্থিতিতে এবার স্বাস্থ্যবিধি মেনে নির্দিষ্ট স্থানে বসবে কোরবানির পশুর হাট। হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হবে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ঈদুল আজহা উপলক্ষে পশুর হাট ব্যবস্থাপনা, নির্দিষ্ট স্থানে পশু কোরবানি এবং দ্রুত বর্জ্য অপসারণ নিশ্চিতে প্রস্তুতি পর্যালোচনা নিয়ে ভার্চুয়াল আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম এ কথা জানান। স্থানীয় সরকার বিভাগের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

মন্ত্রী বলেন, ‘ঈদুল আজহা মুসলমানদের অতীব গুরুত্বপূর্ণ একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান। মুসলমানরা ঈদুল আজহার মাধ্যমে আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের নৈকট্য লাভের প্রত্যাশা করেন। পশু কোরবানি দেয়া ঈদুল আজহার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এটি সুন্দরভাবে উদযাপনে পশুর হাট বসবে সুনির্দিষ্ট জায়গাতে, স্বীকৃত জায়গায়, স্বাস্থ্যবিধি মেনে তা পরিচালিত হবে। এ বিষয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘পশুর হাটের নিরাপত্তা, পশু বিক্রি ও গন্তব্যে পৌঁছানো— সার্বিক বিষয়ে আমরা প্রারম্ভিক সভা করেছি। এরপর আরও কয়েকটি সভা হবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে একটি সভা করবে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে একটি সভা করা হয়। সম্মিলিতভাবে সবাই নিজ নিজ জায়গা থেকে আমরা দায়িত্ব পালন করব।’

প্রতিটি পশুর হাটে আগত ক্রেতা-বিক্রেতাদের মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করার পাশাপাশি হাত ধোয়ার ব্যবস্থা থাকবে, জীবাণুনাশক স্প্রে করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

নির্দিষ্ট স্থানে পশু কোরবানি ও দ্রুততম সময়ে বর্জ্য অপসারণ নিশ্চিত করতেও সভায় সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন তিনি।

করোনা সংকটে ভিড় এড়াতে ঈদুল আজহার এক-দুদিন আগেই পশু কেনার পরিবর্তে সময় হাতে রেখে পশু কেনার জন্য সবাইকে পরামর্শ দেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী।

পশুর হাটে প্রবেশকারী সবাইকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে সুশৃঙ্খলভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে প্রবেশ ও বের হওয়া নিয়ন্ত্রণ এবং পশু কেনা-বেচার ওপর গুরুত্ব দেন তাজুল ইসলাম।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ঈদের দিন পশু কোরবানির পর অতীতের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে পশুর বর্জ্য অপসারণের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

‘পশুর হাটগুলোতে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি যেকোনো পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য পর্যাপ্তসংখ্যক ম্যাজিস্ট্রেট এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মাঠে প্রস্তুত থাকবে। এ বছর যেহেতু ভিন্ন এক প্রেক্ষাপটে পশুর হাট এবং ঈদ উদযাপন করতে হচ্ছে তাই মানুষের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে টেলিভিশন, রেডিওসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে সচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণা চালানো হবে’ বলেও জানান মন্ত্রী।

সভায় ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম ও শেখ ফজলে নূর তাপসসহ দেশের সব সিটি করপোরেশনের মেয়র এবং বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা অংশ নেন।


  • 17
    Shares