ক্রিকেট

হোয়াইটওয়াশ বাংলাদেশ

  • 1
    Share

তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে রান পাহাড়ে চাপা পড়ে নিউজিল্যান্ডের কাছে ১৬৪ রানের বিশাল পরাজয় বরণ করেছে বাংলাদেশ। একইসঙ্গে তিন ম্যাচেই হেরে হোয়াইটওয়াশ হলো তামিম ইকবালের দল।

ওয়েলিংটনে শুক্রবার (২৬ মার্চ) টস জিতে ব্যাট করতে নেমে রানের পাহাড় গড়ে কিউইরা। নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে দলটির সংগ্রহ দাঁড়ায় ৩১৮ রান। দলের পক্ষে এদিন শতক হাঁকান ডেভন কনওয়ে ও ড্যারিল মিচেল। দলীয় ৫৭ রানের মধ্যে তিন ব্যাটসম্যানকে সাজঘরে ফিরিয়ে কিছুটা চাপ সৃষ্টি করেছিলেন রুবেল হোসেন, তাসকিন আহমেদরা। ভালো করতে পারেননি অধিনায়ক টম ল্যাথামও। তবে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন কনওয়ে ও মিচেল।

১২০ রানে চতুর্থ উইকেট পতনের পর পঞ্চম উইকেটে ১৫৯ রানের অনবদ্য জুটি গড়েন কনওয়ে ও মিচেল। ১৭টি চারের সহায়তায় ১১০ বলে ১২৬ রান করে ক্ষান্ত হন কনওয়ে। তবে শতরান তুলে নিয়ে অপরাজিত ছিলেন মিচেল। ৮টি চার ও ২টি ছক্কায় তিন অঙ্কে পৌঁছাতে মোকাবেলা করতে হয়েছে ৯২টি বল।

বাংলাদেশের পক্ষে তিনটি উইকেট শিকার করে সফল বোলার ছিলেন রুবেল হোসেন, যদিও খরচ করেছেন ওভারপ্রতি ৭ রান করে। একটি করে উইকেট শিকার করেন তাসকিন আহমেদ, মুস্তাফিজুর রহমান ও সৌম্য সরকার।

এদিকে, এত বিশাল রান তাড়া করে নিউজিল্যান্ডে জিততে পারেনি কোনও দল। তাই বাংলাদেশকে জিততে হলে গড়তে হতো রেকর্ড। তবে ব্যাট করতে নেমে উল্টো পরাজয়ের ব্যবধানের রেকর্ডই গড়েছে টাইগাররা।

জবাব দিতে নেমে দলীয় মাত্র ১০ রানেই অধিনায়ক তামিম ইকবালকে হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশ। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে টাইগাররা। তামিম ১, সৌম্য সরকার ১, মোহাম্মদ মিঠুন ৬, মেহেদী হাসান মিরাজ ০, শেখ মেহেদী হাসান ৩ রান করে সাজঘরে ফেরেন। আগের ম্যাচে ঝড়ো ইনিংস খেলা মিঠুন এদিন ৬ রান করতে খরচ করেছেন ৩৯ বল।

একমাত্র মাহমুদউল্লাহ রিয়াদই প্রতিরোধের চেষ্টা গড়ে দলের পরাজয়ই এড়িয়েছেন শুধু। নবম উইকেটে রুবেল হসেনের সাথে ৫২ রানের জুটি গড়েন রিয়াদ, পূর্ণ করেন নিজের ২৩তম অর্ধশতক। শেষপর্যন্ত অপরাজিতই থাকেন তিনি। ৬টি চার ও ৪টি ছক্কায় ৭৩ বলে ৭৬ রান আসে রিয়াদের ব্যাট থেকে। ধ্বংসস্তূপে একা মাথা তুলে দাঁড়ালেও ১৫৪ রানে অলআউট হয়ে যায় দল। অন্যান্যদের মধ্যে মুশফিকুর রহিম ৪৪ বলে ২১ ও লিটন দাস ২১ বলে ২১ রান করেন।

কিউইদের পক্ষে জিমি নিশাম একাই পাঁচটি উইকেট তুলে নিয়ে ধ্বংসলীলা চালান বাংলাদেশ ইনিংসে। এছাড়া ম্যাট হেনরি ৪টি উইকেট শিকার করেন। আর বাকি উইকেটটি নিজের করে নেন কাইল জেমিসন। তবে ম্যাচ ও সিরিজ সেরার পুরষ্কার একাই পকেটে পুরেছেন ডেভন কনওয়ে।


  • 1
    Share