অর্থনীতিশীর্ষ সংবাদ

বেড়েছে সব ধরনের জ্বালানির দাম


বেড়েছে সব ধরনের জ্বালানি ব্যবহার। তাই বিশ্ববাজারে তেল-গ্যাস-কয়লার দাম আবার মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে। গত মার্চে প্রতি টন এলএনজির দাম ছিল মাত্র ২ ডলার, যা এখন বেড়ে দাঁড়িয়েছে চার ডলারে। ছয় মাসের ব্যবধানে ৬৩ ডলারের প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম বেড়ে হয়েছে ৮০ ডলার। একইভাবে উর্ধমুখী কয়লার বাজারও। প্রতি টন এখন বিক্রি হচ্ছে ১৩৭ ডলারে, মার্চে যা ছিল মাত্র ৯০ ডলার।

বিশ্বব্যাপী জ্বালানির দাম বাড়ার এ ধারা আরও বছরখানেক অব্যাহত থাকবে বলে ধারণা অর্থনীতিবিদদের। এ অবস্থায় সাশ্রয়ী মূল্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও তা সরবরাহ বাংলাদেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে মনে করছেন প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। আর জ্বালানির দাম বাড়লে যে বিদ্যুতের দামও বাড়বে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

পরিশোধিত বা অপরিশোধিত জ্বালানি তেল, এলএনজি কিংবা কয়লা, সবই আমদানি করতে হয় বাংলাদেশকে। বিশ্ববাজারে দাম বাড়লে তার জন্য বাড়তি টাকা গুনতে হয় সরকারকে। এরই মধ্যে এলএনজির দাম বাড়ায় কমেছে আমদানি। দিনে ৪ ঘণ্টা করে বন্ধ থাকছে সিএনজি স্টেশন। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ জানালেন, জ্বালানির দামের এই ধাক্কা লাগবে বিদ্যুৎ ঊৎপাদনসহ সব খাতেই।

গ্যাস বিদ্যুতের দাম বাড়লে নিত্যপণ্যসহ জনজীবনের সবক্ষেত্রেই তার প্রভাব পড়বে।