গাইবান্ধা

সুন্দরগঞ্জে প্রসূতি বাছুর-গাভীর দুধে খুশি খামারী


গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার সর্বানন্দ ইউনিয়নের কিশামত সর্বানন্দ গ্রামে প্রসবের ১৫ দিন পর থেকে দুধ দিচ্ছে বাছুর। একই সঙ্গে প্রসূতি গাভি ও বাছুর দোহানোর ঘটনায় বেজায় খুশি খামারী আফসার আলী।

জানা যায়, উক্ত গ্রামের মৃত ময়েন উদ্দিনের ছেলে আফসার আলীর খামারের ৬টি গরুর মধ্যে ৪০ দিন আগে একটি গাভীর বাছুর হয়। এর ১৫দিন পর থেকে প্রসূতি বাছুর পর্যাপ্ত পরিমাণে দুধ দিচ্ছে। যথারীতি

ভাবে দুধ দিচ্ছে ঐ বাছুরের মা (গাভী)। বিষয়টি ছড়িয়ে পরলে আফসার আলীর বাড়িতে জনতার ঢল নামে। এ ব্যাপারে কথা হলে আফসার আলী ও তার পরিবারবর্গ জানান, ৪০ দিন আগে এ বাছুরটির স্বাভাবিকভাবে প্রসব হয়। এরপর থেকে বাছুর ও গাভী স্বাভাবিক আছে। প্রসবের ১৫দিন পর বাছুরের ওলান থেকে ফোটা ফোটা দুধ পড়তে দেখে তা দোহানোর চেষ্টা করা হয়। এতে বাছুরটিরও দুধ আসে। প্রসূতি গাভীর ১২ থেকে ১৪ লিটার করে দুধ হয়। পাশাপাশি সদ্য প্রসূতি বাছুরটিরও দুধ হচ্ছে। বাছুরটিকে না দোহালে চিৎকার করে। এছাড়া, ওলান থেকে ফোটা ফোটা দুধ পড়ে যায়। বর্তমানে গাভী ও বাছুর স্বাভাবিক রয়েছে।

উপজেলা ভেটেরিনারী সার্জন- ডা. রেবা বেগম জানান, বিষয়টি জানতে পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছি। বাছুরটির স্বাস্থ্য বর্তমানে ভাল আছে। ৪৫-৫০ কেজি ওজনের এ বাছুরের দুধ স্বাভাবিক আছে বলে মানুষের জন্য অন্যান্য গাভীর দুধের ন্যায় পানযোগ্য বলে মনে করছি। তবে, বাছুরটিকে ওষধ সেবনের মাধ্যমে দুধ আসা বন্ধ করার জন্য চিকিৎসা চলেছে। তা না হলে বাছুরের স্বাস্থ্যহানি ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। এটা হরমোন জনীত কারণে হতে পারে।

উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ফজলুল করিম জানান, বিষয়টি অসম্ভবনীয় না; হতেও পারে। এটা হরমোন জনীত কারণ। তবে, বাছুরকে যথারীতি চিকিৎসা প্রদানসহ পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।