বিনোদন

জাঁকালো ফ্যাশন শো ও গানের মূর্ছনায় মাতলো জুয়েলারি এক্সপো ২০২২


জমকালো ফ্যাশন শো ও জনপ্রিয় সংগীতশিল্পীদের মনোমুগ্ধকর পরিবেশনার মধ্য দিয়ে পর্দা নামলো তিনদিনের বাংলাদেশ জুয়েলারি এক্সপো ২০২২-এর।

শনিবার (১৯ মার্চ) রাতে রাজধানীর ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরার ২ নম্বর হলে ফ্যাশন শো, র্যা ফেল ড্র অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির প্রেসিডেন্ট সায়েম সোবহান আনভীর, সাবেক সভাপতি ডা. দিলীপ রায়, ট্রেজারার উত্তম বণিক প্রমুখ।

জুয়েলারি এক্সপোর সমাপনীতে রাখা হয় জাঁকালো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন। শুরুতেই গৌতম সাহার পরিচালনায় ও সোনিয়া ইয়াসমিনের কোরিওগ্রাফিতে অলংকার নিকেতনের জুয়েলারি নিয়ে মঞ্চে হাজির হন মডেলরা। এরপর একের পর এক আপন জুয়েলার্স, ফেন্সি জুয়েলার্স, জায়া গোল্ড ও জরোয়া হাউসের জুয়েলারি পরে মঞ্চে মডেলদের হাটতে দেখা যায়। চমৎকার ডিজাইনের সব জুয়েলারি দর্শকদের নজর কেড়ে নেয়।

ফ্যাশন শো শেষ হতেই অনুষ্ঠিত হয় র্যা ফেল ড্র। এরপর মঞ্চে দলবল নিয়ে হাজির হন সুরকার ও সংগীত পরিচালক ফুয়াদ আল মুক্তাদির। যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলস থেকে ফিরেই তিনি সরাসরি এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন। শুরুতেই ফুয়াদের মিউজিকে ‘ভ্রমর কইয়ো গিয়া’ গেয়ে সবার মনোযোগ নিয়ে নেন কণ্ঠশিল্পী তাসফি। দুর্দান্ত পারফরমেন্সের মাধ্যমে ‘কাঙ্গালিনীর বন্ধু তুমি’, ‘এক পায়ে নূপুর’সহ বেশিকয়েকটি গান পরিবেশন করে মঞ্চ ত্যাগ করেন তিনি। এরপর একে একে মঞ্চ মাতান ফাইরুজ, সজল, তাসনিম আনিকা, সুনিধি নায়েকসহ বেশ কয়েকজন শিল্পী।

শেষের দিকে মঞ্চে বালাম হাজির হতেই চারদিকে দর্শকদের উচ্ছ্বাস শুরু হয়ে যায়। নিজের জনপ্রিয় গান ‘তোমার জন্য সিন্ধুর নীল’ গেয়ে শুরু করেন বালাম। পরে একে একে গলায় তোলেন ‘যতদূরেই থাকো রবে আমারই’ ও ‘লুকোচুরি’। সবশেষে ‘একাকী মন’ দিয়ে সবাইকে মাতিয়ে পরিবেশনায় ইতি টানেন বালাম। সবশেষে র্যা প গানে মুগ্ধ করেন হাসিফ ও শাফায়েত।

উল্লেখ্য, হাজার বছরের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে দেশে প্রথমবারের মত সোনার গহনা প্রদর্শনীর আয়োজন করে দেশের ঐতিহ্যবাহী বাণিজ্য সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। ১৭ মার্চ শুরু হয়ে ১৯ মার্চ পর্যন্ত চলে এই মেলা। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত চলা এই মেলায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান মূল্য ছাড়সহ আকর্ষণীয় অফারে গহনা ও ডায়মন্ড বিক্রি করেছে। এক্সপোতে মোট ৬৫টি স্টল অংশ নিয়েছিল। দেশ-বিদেশের ক্রেতা-বিক্রেতারা এতে অংশ নেন। তিন দিনের এই এক্সপোতে ২ লাখেরও বেশি দর্শনার্থীর আগমন ঘটে।